আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে বিবাহ একটি সামাজিক গুরুত্বপূর্ণ দিক যা হয় কেবল দুই ব্যক্তি বা দুই পরিবারের মধ্যে একটি জীবনকালীন সম্পর্ক সৃষ্টি করে,বিবাহটি সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে দেখা হয় কারণ একজন ব্যক্তি তাদের আধা জীবন কাউকে শেয়ার করেন।
বিবাহ একটি সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন হতে পারে, যেখানে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি নিয়ে পরিবার বা সমাজের চাপ তৈরি হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এটি ব্যক্তিগত অনুভূতি এবং সম্পর্কের উপর নির্ভর করে, তখন সঠিক সন্ধান মিলবে সেই অপেক্ষায়।
পোস্ট সূচিপত্রঃআমার বিয়ে কবে হবে
- আমার বিয়ে কবে হবে
- বিবাহের যোগ বা শুভ সময় কখন হয়
- কার সাথে বিবাহ জানার উপায়
- হাদিস অনুযায়ী কার সাথে কার বিয়ে হবে
- প্রেম করে বিবাহ করা ভাগ্যে কি লেখা থাকে
- আমার বিয়ে কার সাথে হবে জানা কি সম্ভব
- বিয়ে করা পূর্ব নির্ধারিত না কর্মফল
- বিবাহ নিয়ে আল্লাহ কি বলেছেন
- অল্প বয়সে বিয়ে করা হাদিসের ব্যাখ্যা
- অল্প বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা
- দ্রুত সময়ে বিয়ে হওয়ার লক্ষণ
- বিয়ে না হওয়ার কারণ ও সমাধান
- বিয়ের রিচুয়াল বা সাধারণত পাকা দেখা নিয়ম
- শেষ কথাঃআমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে অর্থাৎ আপনার বিয়ের বয়স নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিগত প্রস্তুতি সামাজিক ও আইনেই বাধ্যতা বাধ্যবাধকতা এবং জ্যোতিষ শাস্ত্রের কারণের উপর বাংলাদেশ বাংলাদেশের সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ছেলেদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ২১ বছর এবং মেয়েদের জন্য ১৮ বছর। তাই এ বয়সে নিচে বিয়ে করা হবে দন্ডনীয় অপরাধ। তবে জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী আপনার রাশি চক্রের উপর ভিত্তি করে বিবাহের উপযুক্ত বয়স ভিন্ন হতে পারে এবং বিবাহিত জীবনের সুখের উপর এটি নির্ভর করে। আপনি যদি বিয়ের জন্য প্রস্তুত হন তবে আপনার নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। আপনার মানসিক পরিপক্কতা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বিয়ের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ শর্ত।
আরও পড়ুনঃস্বামীর পরিবারের প্রতি স্ত্রীর দায়িত্ব ও কর্তব্য
সামাজিক চাপ এড়িয়ে নিজের নিজের সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারস্পরিক সম্মান ভালোবাসা এবং সম্পর্ক পরিচালনার পরিপক্ষতা বিয়ের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী আপনার রাশিফল বিয়ের উপযুক্ত বয়স নির্দেশ করতে পারে নির্দিষ্ট নক্ষত্র ও গ্রহের অবস্থান বিয়ের সময় নির্ধারণের গুরুত্ব ভূমিকা পালন করে জন্মতারিখ ও সময় ব্যবহার করে রাশিফল ও নক্ষত্র অনুযায়ী বিয়ের সময় ঘটনা করা যেতে পারে
বিবাহের যোগ বা শুভ সময় কখন হয়
বিবাহের যোগ কখন হয় বিবাহের জন্য একটি শুভ সময় বা যোগ হয় যখন জ্যোতিষ শাস্ত্রীয় গণনা অনুসারে গ্রহের অবস্থান অনুকূলে থাকে বিশেষ করে শুক্র বা বৃহস্পতির দশা চলাকালীন এবং রাশিচক্রের পঞ্চম সপ্তম বা নবম ঘরে এদের গোচরণ আধুনিক দৃষ্টিকোণ থেকে ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সে বিবাহ উপযুক্ত সময় হিসাবে ধরা হয়।
বিবাহ যোগের জন্য শুক্রবার বৃহস্পতির দশা বছর গুরুত্বপূর্ণ যদি শুক্র বা বৃহস্পতি অনুকূল ঘরে থাকে তাহলে বিবাহের সম্ভাবনা বাড়ে বিবাহের লগ্ন পঞ্চম নবম এবং দশম এ যখন বৃহস্পতি থাকে তখন স্রোতাহি হোক যোগ হয় যা বিবাহকে শুভ সুখকর করে তুলে দশা এবং শুক্র বৃহস্পতি বা রাহুর অন্তদশার সময়ও বিবাহের সম্ভাবনা তৈরি হয় আসিম কালে জন্ম মাসে বিবাহ করা নিষিদ্ধ ছিল তবে আধুনিক কালে জন্ম মাসের আট দিন পর বিবাহ করার বিধান প্রচলিত আছে গ্রীষ্মকালে বিবাহ শুরু হয় এবং শরৎকালে তার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় থেকে নয়নের মধ্যে বিবাহ সবচেয়ে বেশি হয়।
কার সাথে বিবাহ জানার উপায়
আমার বিয়ে কবে হবে কার সাথে বিবাহ জানার উপায়কার সাথে বিবাহ হবে তা জানার জন্য সাধারণত জ্যোতিষ শাস্ত্র হস্তরেখা এবং ভাগ্য গণনা সাহায্য নেওয়া হয় যেখানে জন্ম কুষ্ঠী গ্রহের অবস্থান এবং হাতের রেখা বিশ্লেষণ করা হয় অন্যদিকে ধর্ম দৃষ্টিকোণ থেকে মনে করা হয় যে বিয়ের পূর্ব নির্ধারিত বা তা দিয়ে লেখা থাকে তবে দোয়া ও সঠিক কর্মের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী গ্রহের দশা বছর এবং সপ্তম ঘরের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে বিবাহের সময় এবং জীবনসঙ্গিনী সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
নক্ষত্র এবং গ্রহের অবস্থান বিশ্লেষণ করে জীবনসঙ্গীর নামের প্রথম অক্ষর
সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে হাতের রেখা বিবাহ রেখা বিশ্লেষণ করে বিয়ের বয়স
এবং প্রেম সম্পর্ক সম্পর্কে ধারণা করা যায় লেখাগুলোর অবস্থা সম্ভাবনা ও নির্দেশ
করে অনেক ধর্ম বিশ্বাস অনুযায়ী কার সাথে কার বিয়ে হবে এবং কখন হবে তা ফুটবেই
নির্ধারিত এবং থাকে নির্ধারণ হলেও ধর্ম বিশ্বাস মতে ভালো দোয়া ও আমলের মাধ্যমে
আল্লাহকে খুশি করে ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব যে ব্যক্তির সাথে জীবন যাপন করতে চান
তার সাথে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং চাওয়া পাওয়া মিলছে কিনা তা বিবেচনা করা
যেতে পারে এতে সম্পর্ক আরো মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে
হাদিস অনুযায়ী কার সাথে কার বিয়ে হবে
হাদিস অনুযায়ী তার সাথে কার বিয়ে হবে তা আল্লাহ তাআলার পূর্ব নির্ধারিত আল্লাহ আসলাম ও জন্মের সৃষ্টির অনেক আগে থেকেই সবকিছু লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন যার মধ্যে বিবাহ অন্তর্ভুক্ত তবে একজন মুসলিমের দায়িত্ব হল ধর্মপ্রাণ নারীকে বা পুরুষকে বিবাহ করার চেষ্টা করা কারণ ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে সংগীত সফলতা আসে হাদিস এবং ইসলামিক বিশ্বাস অনুসারে একজন ব্যক্তির সাথে বিয়ে হবে কখন হবে এবং তাদের সম্পর্কে কতদিন স্থায়ী হবে।
তার জীবনের ভালো পরিণতির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন রাসূল বলেছেন একজন নারীকে সাতটি কারণে বিবাহ করা হয় তার সম্পদ তার বংশ তার সৌন্দর্য এবং তার ধর্ম পথে ধর্মপ্রা নারীকে বিবাহ করো তোমার হাত ধরে হাদিস অনুযায়ী বিয়ে করব নির্ধারিত এবং তাকদিরে লিপিবদ্ধ থাকে। তবে এর জন্য চেষ্টা এবং দোয়া করা গুরুত্বপূর্ণ। একজন পুরুষ যখন একজন নারীকে বিয়ে করতে চায় তখন তাকে দ্বীনদার, বংশ, সম্পদ এবং সৌন্দর্য দেখে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তবে দ্বীনদার নারীকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। মুসলিম পুরুষ সর্বোচ্চ চারজন স্ত্রী রাখতে পারে, যদি তাদের প্রতি ন্যায় সঙ্গত আচরণ করা সম্ভব হয়।
প্রেম করে বিবাহ করা ভাগ্যে কি লেখা থাকে
ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী বিয়ের মত সবকিছু ভাগ্যবান তাকবীরে লেখা থাকে যার মধ্যে প্রেম করা বিয়েও অন্তর্ভুক্ত তবে এটি বিশ্বাস করা হয় যে দোয়া বা প্রার্থনার মাধ্যমে তাকদীর পরিবর্তন হতে পারে তাই যার সাথে বিয়ে নির্ধারিত আছে তার সাথেই বিয়ে হবে কিন্তু এই নির্ধারিত বিষয়টিও দোয়ার মাধ্যমে বদলাতে পারে ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহতালা আসমান ও জমিন সৃষ্টির ৫০ হাজার বছর আগে সবকিছু লিখে রেখেছেন এবং এতেও অন্তর্ভুক্ত তার সাথে কখন এবং কতদিন সংসার হবে এসব কিছুই নির্ধারিত রয়েছে এই নির্ধারিত তাকবীর দোয়ার মাধ্যমে পরিবর্তন হতে পারে।
তাই শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে ভালো মানুষ হওয়ার জন্য এবং সৎ পথে চলার জন্য দোয়া করা উচিত শুধুমাত্র ভাগ্যের উপর নির্ভর না করে ভালো জীবনসঙ্গী খুঁজে পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা উচিত এবং একই সাথে আল্লাহর কাছে ভালো কিছুর জন্য দোয়া করতে হবে এই কারণে প্রেম করে বিয়ে করা বা না করা দুটি ভাগ্যের অংশ হতে পারে এবং দোয়া ও চেষ্টার মাধ্যমে এ ভাগ্যের পরিবর্তন সম্ভব বলে মনে করা হয়। ভাগ্যে প্রেম করে বিয়ে লেখা থাকে না তা নিয়ে বিভিন্ন ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যক্তিগত মতামত রয়েছে ইসলাম ধর্ম অনুসারে বিয়ে রিজিক জন্ম মৃত্যু ইত্যাদি জীবনের সব ঘটনায় আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত এবং তদবিরে লেখা থাকে তবে একই সাথে মানুষকে ধর্মের স্বাধীনতা এবং ভালো-মন্দ বেছে নেওয়ার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে ইসলামে প্রেমের আগে বিয়ের আগে প্রেম করাকে উৎসাহিত করা হয় না।
তবে পারস্পরিক পছন্দ এবং ভিত্তিতে বিয়ে করা জায়েজ কিছু আলেম মনে করেন যে
সম্পর্ক পাপ মুক্ত থাকে এবং হরিনামে বিয়েতে রূপান্তরিত হয় অনুমোদিত বৈদিক
জ্যোতিষ শাস্ত্রের মতে অনেক বিশ্বাসে বলা হয় বিবাহ জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ
এবং ভাগ্যের উপর গভীর প্রভাব ফেলে তবে ভাগের পাশাপাশি মানুষের ধর্ম এবং
নির্বাচনের উপর জোর দেওয়া হয়। কোন কোন ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে জন্ম মৃত্যু
দিয়ে ইত্যাদি পূর্ব নির্ধারিত ধরা হলেও বর্তমান কর্মের মাধ্যমে সম্পর্কের গতিপথ
পরিবর্তন করা সম্ভব বলে মনে করা হয়। আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিয়ে একটি ব্যক্তিগত
পছন্দ আবেগ বোঝাপড়া ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার উপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে এখানে ভাগ্যের
চেয়ে ব্যক্তিগত পছন্দের ভূমিকা অনেক বেশি বলে মনে করা হয় কিছু কিছু ক্ষেত্রে
মানুষের ভাগ্য নির্ধারিত একজন সঙ্গীর সাথে হতে পারে কিন্তু সামাজিক পরিবর্তন
সিদ্ধান্তের কারণে সে সম্পর্ক নাও হতে পারে।
আমার বিয়ে কার সাথে হবে জানা কি সম্ভব
আমার বিয়ে কবে হবে কার সাথে হবে তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়। তবে ধর্মীয় ও জ্যোতিষশস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুসারে এই বিষয়টি নির্ধারিত হয়ে থাকে। আপনি যদি জীবন ভালো সংগী চান তাহলে দোয়ার পাশাপাশি আপনার নিজের প্রস্ততিও নিতা হবে।অনেক ধর্মীয় বিশ্বাসে মনে করা হয় কার সাথে কার বিয়ে হবে তা পূর্বনির্ধারিত বা তাকদিরে লেখা থাকে।এই বিশ্বাস অনসারে ভালো জিবন সংগী পাওয়ার জন্য দোয়া করা উচিত।আপনি যদি কোন সম্পর্কে থাকেন,সে ক্ষেত্রেসম্পর্কের বিষয়ে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
ফেসবুকে লিখে উল্লেখ করতে চান তবে নিজের সম্পর্কে আরো দেখুন বিভাগে গিয়ে সম্পর্কের অবস্থা যোগ করুন অথবা সম্পাদনা করুন এই ট্যাব করে আপনার স্ট্যাটাস পরিবর্তন করতে পারেন সিঙ্গেল ইন এ রিলেশনশিপ এনগেজমেন্ট অথবা বিবাহিত এর মতো বিভিন্ন বিকল্প থেকে আপনি আপনার বর্তমান স্ট্যাটাস বেছে নিতে পারেন আপনি কে আপনি কে আপনার এই তথ্য দেখাতে পারবে তা সঠিক করতে দর্শক নির্বাচক ব্যবহার করতে পারেন আপনি যদি বিয়ে করার পর আপনার না পরিবর্তন করতে চান তবে নিজের সম্পর্কে দেখুন বিভাগে গিয়ে অন্যান্য নাম অংশে সম্পাদনা করতে পারেন।
বিয়ে করা পূর্ব নির্ধারিত না কর্মফল
ইসলাম ধর্ম অনুসারে বিয়ের মত বিষয়গুলো তাকদিরে নিহাবদ্ধ আছে কিন্তু দোয়া এবং কর্মের মাধ্যমে তা পরিবর্তন করা সম্ভব অন্যদিকে হিন্দু ধর্ম অনুসারে বিবাহ হলো অতীত জীবনের কর্মফলে ফল যা উঠবে জন্ম থেকে সংগৃহীত ভালো এবং মন্দ কর্মের উপর নির্ভর করে ইসলামে বিশ্বাস করা হয় যে কার সাথে কার বিয়ে হবে কখন হবে এবং কতদিন স্থায়ী হবে আল্লাহ আগেই নির্ধারণ করে রেখেছেন এবং তা তদবিরে লেখা আছে।
তাকবীরে যা লিখবো যা আছে তা দোয়া বা প্রার্থনার মাধ্যমে পরিবর্তন করা যেতে পারে
অর্থাৎ নিজের পছন্দের মানুষকে জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য দোয়া করা যেতে পারে
কর্মের ফল এটি অতীত জীবনে ভালো করা এবং মন্দ কর্মের একটি ফলাফল ইতি পূর্ব
নির্ধারিত বলা যেতে পারে কারণ এটি অতি কর্মের ফলাফল এবং এটি একটি চূড়ান্ত নিয়তি
নয় কিছু নির্দিষ্ট সঞ্চিত এবং কর্মের কারণে একটি নির্দিষ্ট বিবাহ হতে পারে
কিন্তু একে সম্পূর্ণভাবে পূর্ব নির্ধারিত বলা যায় না দিয়ে পূর্বনির্ধারিত এবং
কর্মফল উভয়ই এটি অতীত কর্মের ফল এবং বর্তমানে দোয়া এবং কর্মের উপর
নির্ভরশীল।
বিবাহ নিয়ে আল্লাহ কি বলেছেন
আল্লাহতালা পবিত্র কুরআনে এবং হাদীসে বিয়ের গুরুত্ব এর শর্তাবলী এবং এটি যে একটি ইবাদত তা বলেছেন গিয়ে মানব জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এটি একটি সুস্থ সুশৃংখল পারিবারিক জীবনের ভিত্তি আল্লাহ মানুষকে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে উৎসাহিত করেছেন যাতে তারা তারাত্রি আল্লাহ সরাসরি বিবাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং অবিবাহিতদের বিয়ে দেওয়া একটি সামাজিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেছেন।
বিয়ের সময় সাধ্য অনুযায়ী আলিমার আয়োজন করা উচিত এবং লোক দেখানোর জন্য নয়
পবিত্রতা ও চারিত্রিক উৎকর্ষ অর্জনের জন্য বিবাহ কতটা জরুরী তা কুরআনের আয়াত
থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় পবিত্রতা ও মানসিক প্রশান্তি লাভ করতে পারে বিবাহের
মাধ্যমে একজন পুরুষ তার ইমামের তার ঈমানের অর্ধেক পূর্ণ করে এবং বাকি অর্ধেক
বিষয়ে আল্লাহকে ভয় করা উচিত এর মাধ্যমে যৌগিক চাহিদা পূরণ হয় মানসিক প্রশান্তি
লাভ হয় এবং আদর্শ পরিবার গঠিত হয় ইসলামিক বিবাহে বর ফোনে এবং ফোনের অভিভাবকের
সম্মতির প্রয়োজন হয় বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পাদনের জন্য কনের অভিভাবক এবং গড়ের
মধ্যে শক্তি সম্পাদিত হয়
অল্প বয়সে বিয়ে করা হাদিসের ব্যাখ্যা
ইসলামে অল্প বয়সে বিয়ের বিষয়ে সরাসরি কোন নির্দিষ্ট বয়স উল্লেখ নেই বরং শারীরিক ও আর্থিক সামর্থ্যের উপর জোর দেওয়া হয়েছে তরুণদের বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন কারণ এটি দৃষ্টিতে নত রাখে এবং লজ্জাস্থানকে রক্ষা করে যারা বিয়ে করতে সক্ষম নয় তাদের রোজা রাখার পরামর্শ রেখেছে যা একটি ঢালের মতো কাজ করে তরুণদের বিয়ে সম্পর্কে নির্দেশনা ঃ-
"যে তরুণ সম্প্রদায়,"তোমাদের মধ্যে যারা বিয়ে করার সামর্থ্য রাখে তারা যেন বিয়ে করে কেননা বিয়ের চক্ষু অবনত রাখে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। যার আর যার সামর্থ্য নেই সে যেন রোজা রাখে কারণ তা তার জন্য নফসের বিরুদ্ধাচারণে ঢালস্বরুপ।" (বুখারী ৫০৬৬ ও সহি মুসলিম ১৪০০)
হাদিস থেকে বোঝা যায় যে বিয়ে করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো বয়সে মা নেই বরং সামর্থ্যই প্রাধান্য বিষয় যেহেতু সকলের সামর্থ্য এক রকম হয় না তাই ইসলাম কোন নির্দিষ্ট বয়সের পরিবর্তে সামর্থ্যের উপর জোর দেয়।
অল্প বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা
অল্প বয়সে বিয়ের কিছু উপকারিতা হলো মানসিক বন্ধন গড়ে ওঠা সহজ হওয়া সামাজিক ও পারিপার্শ্বিক চাপ থেকে মুক্তি এবং ধর্মীয় ও নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সুফল যেমন বিয়ে করার মাধ্যমে তরুণরা যেনা থেকে দূরে থাকতে পারে তবে এর সাথে কিছু অসুবিধাও থাকতে পারে যেমন মানসিক অপরিপক কথা ও আর্থিক স্থীতিশীলতার অভাব। অল্প বয়সে বিয়ে করলে দুজন মানুষ একসাথে বেড়ে ওঠা এবং একে অপরের সাথে মানসিক বন্ধন তৈরি করার সুযোগ পায় অল্প বয়সে বিয়ে করলে পরিবার ও সমাজের পক্ষ থেকে বিয়ের জন্য যে চাপ থাকে তা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় ইসলামে অল্প বয়সে বিয়ে করাকে উৎসাহিত করা হয়েছে কারণ এটি অনেক সময় অনৈতিক বা অবৈধ সম্পর্ক থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে বিবাহিত ব্যক্তিরা তুলনামূলকভাবে বেশি সুস্থ থাকেন এবং তাদের হৃদরোগ বিষণ্ণতা এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কম থাকে।
যদি কোন কারণে সম্পর্ক টেকশন না হয় তবে অল্প বয়সে বিয়ে করলে বিচ্ছেদের পর নতুন করে জীবন শুরু করার জন্য বেশি সময় পাওয়া যায়।অল্প বয়সে বিয়ে করা কিছু অসুবিধাও যায় আছে, যেমন অল্প বয়সে বিয়ে করলে আর্থিক হোক মানসিক প্রস্তুতি না থাকার কারণে অনেক সময় অস্থিরতা দেখা দেয় পড়াশুনা বা ক্যারিয়ারের উপর বীর প্রভাব পড়তে পারে বাল্যবিবাহের কারণে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে কারণ বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী পুরুষের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর এবং নারী ১৮ বছর।
দ্রুত সময়ে বিয়ে হওয়ার লক্ষণ
দ্রুত বিয়ের লক্ষণ গুলোর মধ্যে রয়েছে দুজনের মধ্যে একে অপরের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা এবং এক একে অপরের পরিবার ও বন্ধুদের সাথে পরিচয় করানো এছাড়া উভয় পক্ষের পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে ঐক্যমত্ত হওয়া এবং বিয়ের প্রস্তাব বা আলোচনা উভয় পক্ষই আগ্রহ প্রকাশ করার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ পরিকল্পনা অনুযায়ী সঙ্গী যখন ভবিষ্যতের ব্যাপারে একসাথে পরিকল্পনা করার কথা বলে তখন বুঝতে হবে।
আরও পড়ুনঃশ্বশুর বাড়ির প্রতি জামাইয়ের কর্তব্য
তিনি আপনাকে নিয়ে একটি স্থায়ী জীবন গড়তে চাই আপনার সঙ্গে যদি আপনাকে তার
পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের সাথে পরিচয় করে দেন তাহলে এটি একটি গভীর এবং
প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের লক্ষণ বিয়ে এবং তার সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো নিয়ে
খোলামেলা আলোচনা করা বিয়ের একটি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে যখন
উভয় পক্ষ এবং তাদের পরিবার বিয়ের ব্যাপারে একমত হন তখন বিয়ের একটি শক্তি সালের
ভিত্তি তৈরি হয় থাকেন এবং প্রস্তুতি শুরু করেন তবে এটি দ্রুত বিয়ের একটি স্পষ্ট
ইঙ্গিত বহন করে।
বিয়ে না হওয়ার কারণ ও সমাধান
বিয়ে না হওয়ার পিছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে যেমন পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করার
আকাঙ্ক্ষা সামাজিক ও মানসিক চাপ ব্যক্তিগত পছন্দের ভিন্নতা এর সমাধান হিসেবে কিছু
ধর্মীয় ও ব্যবহারে উপায় রয়েছে যেমন নিবিষ্ট দোয়া বা সূরা পাঠ করা পছন্দের
জীবনসঙ্গের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া এবং নিজে মানসিকতা দেখে নজর দেওয়া
অনেক শিক্ষিত তরুণ তরুণী পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করার পর বিয়ের কথা ভাবে যার ফলে
বিয়ের বয়স পার হয়ে যেতে পারে পরিবার ও সমাজের কাছ থেকে বিয়ের জন্য ক্রমাগত
চাপ আসল এর একটি কারণ হতে পারে যা অনেককে মানসিকভাবে অস্থির করে তোলে কারো কারো
হয়তো সম্পর্কের প্রতি ভয় বা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে অনিয়া থাকতে পারে নিজে
প্রত্যাশা এবং পছন্দের সাথে মানুষের পাত্র খুঁজে না পাওয়া একটি অন্যতম কারণ
সামাজিক রীতি নীতি ও অর্থনীতির কারণে অনেক সময় বিয়ে দেরি হতে পারে
ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা নিজের লক্ষ্য ও আকাঙ্খার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি
যাতে বিয়ে এবং পেশাগত জীবনের মধ্যে সঠিক ভারসাম্য থাকে নিজের মনের কথা ও পছন্দের
কথা পরিবারের সাথে আলোচনা করা উচিত এতে সম্পর্কের প্রতি নিজের ভয় কাটিয়ে ওঠার
চেষ্টা করা যেতে পারে প্রয়োজনে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে যিনি
আপনার মানসিক ও কৃষকত দিকগুলো বিবেচনা করে সঠিক পরামর্শ দিতে পারে ভালোবাসার জন্য
প্রস্তুত করা পর্যন্ত জরুরি মনের মধ্যে ওরা মন রাখা এবং প্রচলিত সামাজিক ধারণার
বাহিরে গিয়েও চিন্তা করা যেতে পারে।
বিয়ের রিচুয়াল বা সাধারণত পাকা দেখা নিয়ম
বিয়ের রিচুয়াল বা সাধারণত পাকা দেখা, অধিবাস গায়ে হলুদ আইবুড়ো ভাত সাগাই ফোনে দেখা সাত পাক মালা বদল এবং কন্যাদান এর মত বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত থাকে এই রীতিগুলো অঞ্চল এবং ধর্মবিধে ভিন্ন হয়ে পারে তবে সাধারণত এগুলো আনন্দ ভালোবাসা এবং সামাজিক বন্ধন ও পারিবারিক আচারের অংশবিশেষ
বিয়ের আগে রিচুয়ালঃ
১। পাকা দেখাঃ উভয়পক্ষ সামনাসামনি বসে বিয়ের দিন ও অন্যান্য অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করে।
২। অধিবাসঃ বিয়ের আগের দিন বড় কোণে নিজ নিজ বাড়িতে হলুদ মাখে এবং স্নান করে এই দিনে নিরামিষ আর করা হয়।
৩। দধিমঙ্গলঃ বিয়ের দিন সকালে বর ও অনেকে, দুই চিড়া ও মিষ্টি দিয়ে তৈরি খাবার পরিবেশন করা হয়।
৪। আইবুড়ো ভাতঃ বিয়ের আগে আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধু-বান্ধব মিলে বর বা কোণের সাথে একসাথে খাওয়া-দাওয়া একটি অনুষ্ঠান।
৫। সাগাইঃ আংটি পরানোর একটি অনুষ্ঠান যেখানে বর ফোনে একে অপরের সাথে আংটি বিনিময় করে এবং পরিবারের আশীর্বাদ গ্রহণ করে।
৬। তত্ত্বঃ বিয়ের তত্ত্ব আদান-প্রদান করা হয় যা বিয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
৭। শুভদৃষ্টি ও মালাবদলঃ সাত পাকের পর অনেকে পিরিতে বসিয়ে বরের সামনে নিয়ে আসা হয়, যেখানে তারা একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকে। এরপর তারা একে অপরের কে মালা পরিয়ে দেয়।
৮। সম্প্রদানঃ কনের বাবা বা অন্য কোন অভিভাবক বর ও কনেকে একসঙ্গে তাদের হাত বেঁধে দেন। এটি অনেকে বরের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়ার প্রতীক।
৯। সিঁদুর দানঃ বর কনের সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দেয়।। এটি বিবাহিত জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।
বিয়ের দিনের রিচুয়াল
১। গায়ে হলুদঃ বড় কোণেকে গায়ে হলুদ মাখানো হয়।
২। সাত পাকঃ ের অগ্নিকুণ্ডে চারপাশে সাত বার ঘুরেন। এই সাত পাক একে অপরের প্রতি, পরিবারের প্রত্ এবং ভবিষ্যৎ সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব পালনের প্রতীক।
৩। মালা বদলঃ বড় কনে একে অপরের গলায় মালা পরিয়ে দেন।
৪। যজ্ঞঃ বিয়ের সময় যোগ্য করা হয় যা বিয়ের পবিত্রতা বজায় রাখে।
৫। কন্যাদানঃ এটা কর্তৃক কন্যাকে বরের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
৬। পানি গ্রহণঃ অগ্নির উপস্থিতিতে বর কনের হাত ধরে এবং তাতে যত্ন ও সুরক্ষা দেওয়ার প্রতীক্ষা করে।
৭। বৌভাতঃ বিয়ের পর বরের বাড়িতে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান, যেখানে ওনাকে নতুন বউ হিসাবে সবার সামনে পরিচয় করে দেওয়া হয়।
অন্যান্য রিসিয়ালঃ
১। হারিয়ে যাওয়া রীতিঃ একসময় যে বিয়ের অনুষ্ঠানগুলো জনপ্রিয় ছিল, সেগুলোর মধ্য্ পাটিপত্র অন্যতম যা এখন কম দেখা যায়।
২। নতুন রীতিঃ মেহেদী ও সঙ্গীর অনুষ্ঠানের মত নতুন রীতিগুলোও এখন অনেক দিয়ে অংশ হয়ে উঠেছে।
মুসলিম বিয়ের রিচুয়ালঃ
মুসলিম বিবাহের মূলত চারটি প্রধান পর্ব থাকে, গায়ে হলুদ নিকা্ বাগদান এবং ওয়ালিমা বা বৌভাত।
১। বাগদান বা পান চিনিঃ এটি বিয়ের প্রথম ধাপ, যেখানে উভয় পক্ষে্ পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের তারিখ মোহরানা এবং অন্যান্য বিষয়াদি ঠিক করেন।
২। গায়ে হলুদঃবিয়ে উপলক্ষে এটি একটি উৎসবমুখর অনুষ্ঠান। এটি বড় কোণের বাড়িতে আলাদা ভাবে পালিত হয়। বিয়ের কয়েক দিন আগে উভয় বাড়িতে হলুদের তত্ত্ব পাঠানো হয়, যেখানে হলুদের সঙ্গে কনের জন্য পোশাক, প্রসাধনে ও অন্যান্য উপহার থাকে। হলুদের দিনে পরিবারের সদস্যরা ভর ও কোনের গায়ে হলুদ মেখে দেন এটি রূপচর্চা এবং শুভ কামনার প্রতীক।
৩। নিকাহঃ
এটি মুসলিম বিবাহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব, যেখানে একজন কাজী উপস্থিত থাকেন
উপস্থিত থাকেন। কাজী বর ও কনের সম্মতি নেন এবং দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ
সম্পন্ন করেন। এ সময় অনেকে মোহরানা প্রদান করা হয়।
৪। বৌভাত (ওয়া লিমা)
এটি বিয়ের পরের একটি সংবাদ হোনা অনুষ্ঠান, যা বরের পরিবার আয়োজন করে। এই
অনুষ্ঠানে বর -কনেকে একসঙ্গে সবার সামনে উপস্থাপন করা হয় এবং অতিথীরা নব
দম্পতিকে আশীর্বাদ ও উপহার দেন।
৫। ফুলশয্যাঃ বিয়ের রাতে ফুল দিয়ে সাজানো একটি কক্ষে বর ও কনেকে একত্রে রাখা হয়। এটি নতুন জীবনের সূচনা।
শেষ কথাঃআমার বিয়ে কবে হবে
আমার বিয়ে কবে হবে তারা নিশ্চিত ভাবে বলা কঠিন, কারণ এগুল্বৈ অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে যেমন আপনার ব্যক্তিগত জীবনের ঘটনা, জ্যোতিষ শাস্ত্র এবং আপনার প্রস্তুতি।বৈজ্ঞানিক ও মনস্তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় যে বিয়ের কোন নির্দিষ্ট আদর্শ বয়স নেই।, ব্যক্তিগত মানসিক ও অর্থনৈতিক প্রস্তুতির পরেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বিয়ে করলে বিচ্ছেদের হার তুলনামূলকভাবে কম হতে পারে, কারণ তখন মানুষ আরো পরিপক্ক হয়। সম্পর্ক স্থাপনের আগে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া, বিশ্বাস এবং ভবিষ্যতের লক্ষ্য গুলো মিলিয়ে নেওয়া যায়।
বাংলায় একটি প্রবাদ আছে,"দিল্লীকা লাড্ডু খেলেও পস্তায়,না খেলেও পস্তায়"।তাই বিয়ের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং এর জন্য মানসিক ও আর্থিক প্রস্ততির প্রয়োজন। মনে রাখবেন তাড়াহুড়া করে কোন ভুল মানুষকে বিয়ে করার চেয়ে সঠিক মানুষটির জন্য অপেক্ষা করা অনেক ভালো। আরেকটি বিষয় আবেগের বশীভূত হয়ে কোন সিদ্ধান্তে সহজে উপনীত হবেন না।তাই কখন আপনি প্রস্তুত তা আপনি নিজেই নির্ধারণ করতে পারবেন।



ইয়োলোপাইসনীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url